, শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় রেনট্রি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় নারীর মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত।

মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, নেত্রকোনা জেলা ক্রাইম রিপোর্টারঃ

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় সাতারকালী খালপাড় সংলগ্ন একটি রেনট্রি গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

২২ মে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার সময় গড়াডোবা ইউনিয়নের কাটাহুসিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান- খালপাড় ঘেঁষে গাছের ডালে একটি মরদেহ ঝুলতে দেখে তারা কেন্দুয়া থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে কেন্দুয়া সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোঃ গোলাম মোস্তফা ও কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

পুলিশ জানায়- প্রাথমিকভাবে মৃত নারীর পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব না হলেও, পরে বিকাল ২টা ১০ মিনিটের দিকে একই ইউনিয়নের চন্দ্রলারা গ্রামের ইখলাছ উদ্দিন (৫০) মরদেহের ছবি দেখে তাকে তার বড় ভাবী হিসেবে শনাক্ত করেন। নিহত নারীর নাম মোছা: আনোয়ারা (৫৫), স্বামী মকসুদ আলী, গ্রাম চন্দ্রলারা, থানা কেন্দুয়া, জেলা নেত্রকোণা।

ভিকটিমের পরিবারের বরাতে জানা যায়- এক বছর আগে আনোয়ারার বড় ছেলে মোঃ খাইরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন। সেই থেকে তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। বুধবার সকাল ৭টার দিকে খাবার খেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলে তিনি আর ফিরে আসেননি। পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি করছিলেন।

ওসি মিজানুর রহমান জানান- মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও, তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা যাবে।

জনপ্রিয়

কেন্দুয়ায় রেনট্রি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় নারীর মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত।

প্রকাশের সময় : ০৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, নেত্রকোনা জেলা ক্রাইম রিপোর্টারঃ

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় সাতারকালী খালপাড় সংলগ্ন একটি রেনট্রি গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

২২ মে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার সময় গড়াডোবা ইউনিয়নের কাটাহুসিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান- খালপাড় ঘেঁষে গাছের ডালে একটি মরদেহ ঝুলতে দেখে তারা কেন্দুয়া থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে কেন্দুয়া সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোঃ গোলাম মোস্তফা ও কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

পুলিশ জানায়- প্রাথমিকভাবে মৃত নারীর পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব না হলেও, পরে বিকাল ২টা ১০ মিনিটের দিকে একই ইউনিয়নের চন্দ্রলারা গ্রামের ইখলাছ উদ্দিন (৫০) মরদেহের ছবি দেখে তাকে তার বড় ভাবী হিসেবে শনাক্ত করেন। নিহত নারীর নাম মোছা: আনোয়ারা (৫৫), স্বামী মকসুদ আলী, গ্রাম চন্দ্রলারা, থানা কেন্দুয়া, জেলা নেত্রকোণা।

ভিকটিমের পরিবারের বরাতে জানা যায়- এক বছর আগে আনোয়ারার বড় ছেলে মোঃ খাইরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন। সেই থেকে তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। বুধবার সকাল ৭টার দিকে খাবার খেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলে তিনি আর ফিরে আসেননি। পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি করছিলেন।

ওসি মিজানুর রহমান জানান- মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও, তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা যাবে।