, শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা রহস্যজন। 

  • প্রকাশের সময় : ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • ২৯৭ পড়া হয়েছে

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি : খোকনুজ্জামান খোকন।

নীলফামারীর কচুকাটা ইউনিয়ন এর দক্ষিণ দুন্দুরী বানিয়া পাড়া, বিথি রায় কাজলী স্বামী সুমন ফাঁস দিয়া আত্মহত্যা রহস্যজন।

স্থানীয়রা জানায়, বিথীর স্বামী সুমনের বিয়ে দুইটা, দ্বিতীয় স্ত্রী বিথি রায় কাজলী দিবাগত রাত আনুমানিক বারোটার সময় গলায় রশি পেয়েছি আত্মহত্যা করেন, সুমনের প্রথম স্ত্রী সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ার পরেও দুই বছর থেকে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে জোরালো সম্পর্ক থাকায় দ্বিতীয় স্ত্রী বিথির সঙ্গে সুমনের ঝগড়াঝাটি লেগে থাকত। শধু তাই না সুমন তার কর্মস্থলে এক মেয়ের সাথে আবারো প্রেমের সম্পর্কে জড়ায়। এবং গত চার দিন ধরে ঝগড়ঝাঁটি এবং মারামারি হয়, তারই ধারাবাহিকতায় এক পর্যায়ে গতকাল রাত আনুমানিক বারোটার গলায় ফাঁস দিয়ে বিথী রায় আত্মহত্যা রহস্যজনক। এলাকার লোকজন পুলিশে ফোন দিলে সরে জমিনে পুলিশ এসে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়, প্রাথমিক তদন্তের বিষয় দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিনের স্টফ রিপোর্টার খোকনুজজামান খোকন জানতে চাইলে, সদর থানার এস আই আব্দুল গফফার সাংবাদিকের উপর চড়াও হয়। বলে আপনি কি আমার ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, আপনাকে ইন্টারভিউ দিতে হবে, কে আপনি আপনাকে কেন আমি ইন্টারভিউ দেবো সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পরেও, সে কথা বলতে রাজি হননি। মেয়ের পরিবারের পক্ষে মেয়ের ভগ্নিপতি ললনী রায় বলেন গত বৃহস্পতিবার তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সুমন ভুট্টা খেতে নিয়ে যায়, এলাকার লোকজন জানাজানী হলে, বিথি রায় কজলীকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। এবং শুক্রবার বিথি রায় কাজলী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে, এবং আত্মহত্যার পরে বিথির বাম পায়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এতে করে আত্মহত্যাটি রহস্যজনক মনে হয়।

জনপ্রিয়

নীলফামারীতে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা রহস্যজন। 

প্রকাশের সময় : ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি : খোকনুজ্জামান খোকন।

নীলফামারীর কচুকাটা ইউনিয়ন এর দক্ষিণ দুন্দুরী বানিয়া পাড়া, বিথি রায় কাজলী স্বামী সুমন ফাঁস দিয়া আত্মহত্যা রহস্যজন।

স্থানীয়রা জানায়, বিথীর স্বামী সুমনের বিয়ে দুইটা, দ্বিতীয় স্ত্রী বিথি রায় কাজলী দিবাগত রাত আনুমানিক বারোটার সময় গলায় রশি পেয়েছি আত্মহত্যা করেন, সুমনের প্রথম স্ত্রী সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ার পরেও দুই বছর থেকে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে জোরালো সম্পর্ক থাকায় দ্বিতীয় স্ত্রী বিথির সঙ্গে সুমনের ঝগড়াঝাটি লেগে থাকত। শধু তাই না সুমন তার কর্মস্থলে এক মেয়ের সাথে আবারো প্রেমের সম্পর্কে জড়ায়। এবং গত চার দিন ধরে ঝগড়ঝাঁটি এবং মারামারি হয়, তারই ধারাবাহিকতায় এক পর্যায়ে গতকাল রাত আনুমানিক বারোটার গলায় ফাঁস দিয়ে বিথী রায় আত্মহত্যা রহস্যজনক। এলাকার লোকজন পুলিশে ফোন দিলে সরে জমিনে পুলিশ এসে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়, প্রাথমিক তদন্তের বিষয় দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিনের স্টফ রিপোর্টার খোকনুজজামান খোকন জানতে চাইলে, সদর থানার এস আই আব্দুল গফফার সাংবাদিকের উপর চড়াও হয়। বলে আপনি কি আমার ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, আপনাকে ইন্টারভিউ দিতে হবে, কে আপনি আপনাকে কেন আমি ইন্টারভিউ দেবো সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পরেও, সে কথা বলতে রাজি হননি। মেয়ের পরিবারের পক্ষে মেয়ের ভগ্নিপতি ললনী রায় বলেন গত বৃহস্পতিবার তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সুমন ভুট্টা খেতে নিয়ে যায়, এলাকার লোকজন জানাজানী হলে, বিথি রায় কজলীকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। এবং শুক্রবার বিথি রায় কাজলী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে, এবং আত্মহত্যার পরে বিথির বাম পায়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এতে করে আত্মহত্যাটি রহস্যজনক মনে হয়।