, শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটের কালাইয়ে শ্যালকের ছুরিকাঘাতে দুলাভাই নিহত,পালাতে গিয়ে জনতার হাতে ঘাতক শ্যালক আটক ।

  • প্রকাশের সময় : ০৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • ৭৪ পড়া হয়েছে

সুকমল চন্দ্র বর্মন (পিমল) ,জেলা প্রতিনিধিঃ

নিহত সহিফুল ইসলাম বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার আপশন গ্রামের মৃত আবুল কাসেম আলীর ছেলে।

সোমবার (৩০ জুন) সকাল ৯টার দিকে কালাই উপজেলার পাঁচপাইকা সরকারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ, নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, জেলার কালাই উপজেলার পাইকপাড়া-সরকারপাড়া গ্রামে সকালে শ্যালক জুয়েল হোসেনের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এ নিয়ে পারিবারিক কলহের জের ধরে শ্যালক জুয়েলের (৪০) সাথে দুলাভাই সহিফুল ইসলামের (৫৫) কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শ্যালক জুয়েল উত্তেজিত হয়ে তাঁর ভগ্নিপতি শরীরের বাম হাতের বগলের নিচে ছুরিকাঘাত করে। এতে রক্তাক্ত ও জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হোন দুলাভাই সহিফুল ইসলাম ।

তবে হত্যাকারী জুয়েলের পরিবারের দাবি, জুয়েল মানসিক রোগী। তাকে চিকিৎসা করানোর জন্য দুলাভাই সহিফুল ইসলাম তার নিজ বাড়ি থেকে শশুর বাড়িতে আসেন। সেখানে এসে তার শ্যালক জুয়েলকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইলে সে উত্তেজিত হয়। পরে এক পর্য়ায়ে জুয়েল ছুরিকাঘাতে তার দুলাভাইকে হত্যা করে।

কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জাহিদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছে নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এরপর ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লা শটি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। হত্যাকারি ঘাতক জুয়েলকে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে। বর্তমানে তিনি কালাই সরকারি হাসপাতালে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

জনপ্রিয়

জয়পুরহাটের কালাইয়ে শ্যালকের ছুরিকাঘাতে দুলাভাই নিহত,পালাতে গিয়ে জনতার হাতে ঘাতক শ্যালক আটক ।

প্রকাশের সময় : ০৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

সুকমল চন্দ্র বর্মন (পিমল) ,জেলা প্রতিনিধিঃ

নিহত সহিফুল ইসলাম বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার আপশন গ্রামের মৃত আবুল কাসেম আলীর ছেলে।

সোমবার (৩০ জুন) সকাল ৯টার দিকে কালাই উপজেলার পাঁচপাইকা সরকারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ, নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, জেলার কালাই উপজেলার পাইকপাড়া-সরকারপাড়া গ্রামে সকালে শ্যালক জুয়েল হোসেনের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এ নিয়ে পারিবারিক কলহের জের ধরে শ্যালক জুয়েলের (৪০) সাথে দুলাভাই সহিফুল ইসলামের (৫৫) কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শ্যালক জুয়েল উত্তেজিত হয়ে তাঁর ভগ্নিপতি শরীরের বাম হাতের বগলের নিচে ছুরিকাঘাত করে। এতে রক্তাক্ত ও জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হোন দুলাভাই সহিফুল ইসলাম ।

তবে হত্যাকারী জুয়েলের পরিবারের দাবি, জুয়েল মানসিক রোগী। তাকে চিকিৎসা করানোর জন্য দুলাভাই সহিফুল ইসলাম তার নিজ বাড়ি থেকে শশুর বাড়িতে আসেন। সেখানে এসে তার শ্যালক জুয়েলকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইলে সে উত্তেজিত হয়। পরে এক পর্য়ায়ে জুয়েল ছুরিকাঘাতে তার দুলাভাইকে হত্যা করে।

কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জাহিদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছে নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এরপর ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লা শটি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। হত্যাকারি ঘাতক জুয়েলকে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে। বর্তমানে তিনি কালাই সরকারি হাসপাতালে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।