, শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর কৃষকের মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় শোকের ছায়া।

কেন্দুয়া থানা

শাহ আলী তৌফিক রিপন ,বিশেষ প্রতিনিধি :

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর কেনু মিয়া (৫৪) নামে এক কৃষকের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের টিপ্রা গ্রামের একটি হাওর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত কেনু মিয়ার স্ত্রী ও সন্তানরা জীবিকার তাগিদে ঢাকায় বসবাস করেন। তিনি একাই বাড়িতে থেকে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করতেন। গত ১৬ জুলাই (বুধবার) বিকেলে হাওরের ফসলি জমিতে কাজ করতে গিয়ে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকাল থেকে স্বজন ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন, কিন্তু কোথাও তার সন্ধান মেলেনি।

পাঁচদিন পর সোমবার দুপুরে স্থানীয় লোকজন হাওরে কাজ করতে গিয়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা কেন্দুয়া থানা পুলিশকে খবর দিলে, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “মরদেহটি পঁচে গলে গেছে। আমরা তা উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছি। আপাতত একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”

নিহতের চাচা আমজাত হোসেন বাচ্চু মিয়া জানান, “নিখোঁজের পর আমরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেছি। কেউ কিছু বলতে পারেনি। আজ হাওরে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে আমরা পুলিশকে খবর দিই।

স্থানীয়ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কেনু মিয়া তার জমিতে কাজ করার সময় কোনো দুর্ঘটনার শিকার হয়ে থাকতে পারেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা কেনু মিয়ার অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

কেন্দুয়ায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর কৃষকের মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় শোকের ছায়া।

প্রকাশের সময় : ০৮:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫

কেন্দুয়া থানা

শাহ আলী তৌফিক রিপন ,বিশেষ প্রতিনিধি :

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর কেনু মিয়া (৫৪) নামে এক কৃষকের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের টিপ্রা গ্রামের একটি হাওর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত কেনু মিয়ার স্ত্রী ও সন্তানরা জীবিকার তাগিদে ঢাকায় বসবাস করেন। তিনি একাই বাড়িতে থেকে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করতেন। গত ১৬ জুলাই (বুধবার) বিকেলে হাওরের ফসলি জমিতে কাজ করতে গিয়ে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকাল থেকে স্বজন ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন, কিন্তু কোথাও তার সন্ধান মেলেনি।

পাঁচদিন পর সোমবার দুপুরে স্থানীয় লোকজন হাওরে কাজ করতে গিয়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা কেন্দুয়া থানা পুলিশকে খবর দিলে, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “মরদেহটি পঁচে গলে গেছে। আমরা তা উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছি। আপাতত একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”

নিহতের চাচা আমজাত হোসেন বাচ্চু মিয়া জানান, “নিখোঁজের পর আমরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেছি। কেউ কিছু বলতে পারেনি। আজ হাওরে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে আমরা পুলিশকে খবর দিই।

স্থানীয়ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কেনু মিয়া তার জমিতে কাজ করার সময় কোনো দুর্ঘটনার শিকার হয়ে থাকতে পারেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা কেনু মিয়ার অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।