মদন প্রতিনিধি এ এম শফি;
নেত্রকোনার মদনে জমি-জমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার বিরোধের জের ধরে বীজতলা ফসলি জমিতে লাগানোর পূর্বেই (৩০ কেজি বীজতলা ) জ্বালা ধানের চারা নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে রাইবুল্লাহ (৪০) ও তার পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে । এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদল মিয়া( ৩৫) বাদী হয়ে। ( ৮ আগস্ট রোজ শুক্রবার) রাইবুল্লাহ কে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে মদন থানায় এক মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের দুর্গাশ্রম গ্রামে।
পুলিশ ও ভূক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের দুর্গাশ্রম গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে রাইবুল্লার সাথে বাদল মিয়ার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে শত্রুতা চলছে এ নিয়ে কিছুদিন পূর্বে তার সেচ জমির মেশিনের জিনিসপত্র ভেঙে পানিতে ফেলে রাখে, রাইবুল্লার জমির পাশ দিয়ে বাদল মিয়া একটা গাভী গরু যাচ্ছিল দেখামাত্র তার রাইবুল্লাহ গরুটিকে মারধর করে রক্তাক্ত করে, পরে এ ঘটনা গ্রামের মাতব্বরদেরকে বিষয়টা অবগত করলেও ভুক্তভোগী পরিবার কোন বিচার সমাধান পায়নি। গেল বুধবারে রাইবুল্লার সাথে বাদলের একটি মাছ ধরার জাল নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় এক পর্যায়ে বাদল কে প্রাণনাশের হুমকি দেয় রাইবুল্লাহ। পরে বৃহস্পতিবারে দুপুর ২ টার দিকে বাদল মিয়ার (৩০ কেজি) অগ্রহায়ণ ফসলি বীজতলা জ্বালা ধানের চারা কেটে নষ্ট করছে রাইবুল্লাহ সহ তার ৩ ভাই। খবর শুনে বাদল মিয়া ও তার লোকজন জমিতে যাওয়ার পর দুই পক্ষের উত্তেজনা বিরাজ দেখে গ্রামের লোকজন বিষয়টি সমাধান লোককে শান্ত করে দেন দুই পক্ষকেই। এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচারের আশায় গেল বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট ) রাতে থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী বাদল মিয়া বাদী হয়ে।ভুক্তভোগী বাদল মিয়া বলেন, আমি (৩০ কেজি) অগ্রহায়ণ ফসল ধান রোপণ করার জন্য জ্বালা বুনেছি। পরিকল্পিত ভাবে গ্রামের লোকজনের সামনে আমার জালা ধানের ক্ষেত কেটে ফেলেছে আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমি এর বিচারের দাবি করছি।এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাইবুল্লাহ সাথে মুঠোফোনে কথা হলে এ বিষয়ে কথা বলতে সে রাজি না। এ ঘটনায় মদন থানার তদন্ত (ওসি) দেবাংশু কুমার দে বলেন, বীজতলা ধানের চারা কাটার অভিযোগ পেয়েছি। আইনি প্রক্রিয়াধীন ব্যবস্থা চলছে।