মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :
মহানগরী সহ পাশ্ববর্তী এলাকায় বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। তিন থেকে চার দিনের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পন্য কেজি প্রতি ২০০-২২০ বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪১০-৪৫০ টাকায়। ক্রেতা - বিক্রেতারা বলছেন দুর্গাপুজা উপলক্ষ্যে ভারত থেকে আমদানি রপ্তানি বন্ধ ও বৃষ্টির কারনে অস্তির খুলনার কাচা মরিচের বাজার। গতকাল নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। নগরীতে কয়েকদিন পুর্বে দাম ছিল ২০০-২৪০ টাকা। বিক্রেতারা বলছেন আমদানি বন্ধ ও বৃষ্টির কারনে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। তবে দুু একদিনের মধ্যে দাম কিছুটা কমে আসবে বলে জানান তারা। এদিকে কাঁচা মরিচের ঝাজে ক্রেতাদের মধ্য দেখা দিয়েছে তিব্র ক্ষোভ। খালিশপুর হাউজিং বাজারের কাচামাল ব্যবসায়ী মো: কিবরিয়া বলেন, ইন্ডিয়ান বর্ডার বন্ধের কারনে দাম বেড়েছে। বাজারে ঝালের সংকট। আজকে মাত্র চার কেজি কিনেছি। সোনাডাঙ্গা পাইকারি আড়ৎ থেকে মন প্রতি ১৬ হাজার টাকা দরে কিনেছি। এ বাজারের অপর ব্যবসায়ী গোপলা বলেন, " ভারত থেকে আমদানি বন্ধ। এসময়ে বৃষ্টির কারনেও ঝাল পঁচে যায়। দাম বৃদ্ধির কারনে ক্রেতারা কম কিনছেন, আমরা আড়ৎ থেকে অল্প করে ক্রয় করছি। সন্ধ্যা বাজারের ক্রেতা মোঃ নওয়াজ বলেন, " সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম এভাবে বেড়ে যাওয়াটা মেনে নেওয়া যায় না। দাম বাড়ার কারনে কম করে কিনেছি"। সোনাডাঙ্গা পাইকারি বাজারের চরমোনাই বানিজ্য ভান্ডারের প্রোপাইটার মো: মোশাররফ হোসেন জানান, ভারতীয় এলসি বন্ধ থাকার কারনে বাজারে সংকট দেখা দিয়েছে। তবে রাত থেকে আবারও এলসি শুরু হচ্ছে। আগামী বা পরশু থেকে স্বাভাবিক হবে। তিনি আরো বলেন, দেশি কাঁচাঝাল ৩২০-৩৩০ টাকা এবং ভারতীয় ২৫০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। আজ অন্তত ১০০ বস্তা বিক্রি করেছি। দাম কম থাকলে আরোও বিক্রি করতে পারতাম। খুলনা কৃষি সম্প্রসারণের উপপরিচালক মো: নজরুল ইসলাম জানান, খুলনা জেলায় খরিপ -১ মৌসুমে মরিচ চাষ হয়েছে ১৭২ হেক্টর জমিতে। তবে ৩০ হেক্টর জমি অতি বৃষ্টিতে নষ্ট হয়েছে। এ পর্যন্ত কর্তন হয়েছে ১৪২ হেক্টর। মোট ফলন ১৩৪৯ মেট্রিকটন। সম্প্রতি শীতকালীন চাষের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।