
্মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো :
খুলনায় জাল ওয়ারিশ সনদের মাধ্যমে জমি আত্মসাৎ ও আত্মসাতে সহযোগীতার অভিযোগে ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদক। গতকাল বুধবার দুদকের উপসহকারী পরিচালক বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামীরা হলেন, খুলনার শিরোমনি এলাকার শেখ আব্দুল গনির ছেলে শেখ গিয়াস উদ্দিন, মোস্তফা গোলাম সরোয়ার, ১ নং আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মনিরুল ইসলাম ও সাবেক ইউপি মহিলা সদস্য আম্বিয়া বেগম, দামোদর ভুমি সহকারী কর্মকর্তা এস এম মনিরুজ্জামান ও ফুলতলা উপজেলা ভুমি অফিসের মিজানুর রহমান। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, নগরীর শিরোমনি এলাকার শেখ মোঃ গিয়াস উদ্দিন, মোস্তফা গোলাম সরোয়ার, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মনিরুল ইসলাম, সাবেক মহিলা সদস্য আম্বিয়া বেগমের বিরুদ্ধে জাল ওয়ারিশ সনদ প্রদানে সহায়তা এবং জাল ওয়ারিশ সনদের মাধ্যমে জমি আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এই জমি নাম জারি করার ক্ষেত্রে দামোদর ইউনিয়ন ভুমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা( বর্তমান ডুমুরিয়া শোভনা ইউনিয়ন ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার ( বর্তমানে ডুমুরিয়া উপজেলা ভুমি অফিস) মিজানুর রহমান আবেদনকারীর মালিকানা যাচাই, স্বরজমিনে তদন্ত ইত্যাদি দায়িত্ব যথাযতভাবে পালন না করে এবং এই বিষয় সঠিক প্রতিবেদন প্রদান না করে পরস্পরের যোগসাজশে জমি আত্মসাৎ ও আত্মসাতের সহায়তা করে দন্ডবিধির ২১৮/ ৪২০/ ৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। দুদকের উপ সহকারী পরিচালক মোঃ আশিকুর রহমান বলেন, জমি আত্মসাৎ ও আত্মসাতে সহযোগীতার অভিযোগে ৬ জনের বিরুদ্ধে দুদক খুলনা কার্যালয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এখন তদন্ত সাপেক্ষে উর্ধবতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।











