
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগের ৩৫ টি আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে আজ ২৭ অক্টোবর বৈঠক করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। খুলনা জেলার ৬ টি আসনে রবিবার বিকাল পর্যন্ত ১২ জন মনোনয়ন প্রত্যাশি আমন্ত্রন পেয়েছেন। আমন্ত্রণ পাননি খুলনা – ৩ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী নগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম, খুলনা – ৪ আসনের সাবেক সাবেক প্রার্থী শরীফ শাহ কামাল তাজ ও খুলনা – ৫ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী শফি মোহাম্মদ খান। বিএনপি খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ ইসলাম অমিত জানান, নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রতিটি বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। আজ সোমবার খুলনা বিভাগের বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেখানে নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিবেন তারেক রহমান। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, গত শুক্রবার রাত থেকে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার নেতাদের ফোন করে আমন্ত্রন জানানো শুরু হয়। খুলনা – ১ আসন থেকে খুলনা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আমীর এজাজ খান ও সাবেক ছাত্রদল নেতা জিয়াউর রহমান পাপুল, খুলনা – ২ আসন থেকে সাবেক এমপি ও মহানগর বিএনপি সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বর্তমান নগর সভাপতি শফিকুল আলম মনা ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, খুলনা – ৩ আসনে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে আমন্ত্রন পেয়েছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা – ৪ আসনে কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল ও জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি পারভেজ মল্লিক ফোন পেয়েছেন। খুলনা – ৫ আসন থেকে সাবেক সংসদ সদস্য আলী আজগর লবী এবং খুলনা – ৬ আসন থেকে জেলা বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, যুগ্ম আহবায়ক মোমরেজুল ইসলাম, পাইকগাছার সভাপতি আবদুল মজিদ, সাংবাদিক আনোয়ার আলদীন এবং আমিরুল ইসলাম কাগজী আমন্ত্রন পেয়েছেন। এদিকে প্রার্থী চুড়ান্ত করা প্রসঙ্গে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, এই মাসের মধ্যেই দলের পক্ষ থেকে দুই শতাধিক আসনে একক প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া হবে। আমরা প্রক্রিয়ার একদম শেষ পর্যায়ে আছি। শিগগিরই সবাইকে জানানো হবে যেন যে যার এলাকায় নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করতে পারেন।

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো 









