কেন্দুয়া যদি যাও কোন দিন আমার ছোট্ট গাঁয়
পাইবে কত সংগের সাথী, বসবে বটের ছায়।
রংগ বেরংয়ের ফুল ফল ঝুলছে গাছে গাছে
জলাশয় আর নদনদীতে দেশীয় মাছ আছে।
রাত নিশীথে বাজে বাঁশী গানের জলসায় নাচ
দোয়েল, কোয়েল, ময়নাপাখি উড়ে ঝাঁকে ঝাঁক।
পাখিদের এই কলরবে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যদি থাকে
চলে এসো বাঁশ বাগানে শ্যামল সবুজ দেশে।
কৃষকরা কতো ফসল ফলায় সোনালী পাট চাষে
মায়ের মত বেলে মাটি সবাই ভালোবাসে।
এ-ই কেন্দুয়ায় জন্মে নিলেন কুদ্দুস বয়াতি,
কবি সাধক জালাল উদ্দীন খাঁ, বাউল রশিদ উদ্দিন, কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ।
সারা বিশ্বে গান শুনিয়ে লিখে রাখেন স্মৃতি ,
বাউল- সাধক, গীতি-গন করেননি কারও ক্ষতি।
মৈমনসিংহ -গীতিকার চন্দ্র কুমার দে'র নামে কেন্দুয়ায় চন্দ্র গীতল বাড়ি,
আটাশিয়া আছে সুন্দর লাহুরি বাড়ি, এবং
সাজিউড়া নলিনি রঞ্জন সরকারের পরিত্যক্ত বাড়ি।
মোগল আমলের দূর্গ রোয়াইলবাড়ী
বেতাই নদীর তীর, মেষনা শাখা নদী পাটেশ্বরী,
ব্রিট্রিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা নরেশ রায়,
ডিআইজি আক্কাস আলী, গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড এর চেয়ারম্যান ডক্টর হাফিজুর রহমান ভূইয়া তাদের জন্ম কেন্দুয়ায়।