, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণভোটের প্রচারণায় একই মঞ্চে মুখ্য সমন্বয়ক, উপদেষ্টা ও সিনিয়র সচিব।

  • প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
  • ৩০ পড়া হয়েছে

 

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি;

ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রশাসন ও বিভাগীয় ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের যৌথ আয়োজনেআজ ১৯ জানুয়ারি সোমবার বিকালে নগরীর সার্কিট হাউজ মাঠে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটের প্রচারণা ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে এ বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে ময়মনসিংহ অঞ্চলের ইমামগণ অংশগ্রহণ করেন।

বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মী এনডিসি এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ ফজলুর রহমান, ডিআইজি মোহাম্মদ আতাউল কিবরিয়া।

প্রধান অতিথি বলেন, ২০২৪ সালে অনেকে প্রাণ দিয়েছে, আহত হয়েছে। একটা জুমুল সরকার কতটুকু করতে পারে, কতদূর করতে পারে, সেটা আপনারা দেখেছেন। প্রেক্ষিতে, একসঙ্গে মিলিত হয়ে আমাদের স্মরণ করা উচিত, আমাদের উপর কী দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ যেন এরকম পরিস্থিতিতে আর না পড়ে। যেন মায়ের বুক আর খালি না হয়। এ দায়িত্বটা আমার আপনার সকলের।

মুখ্য সমন্বয়ক আরো বলেন, ভবিষ্যতে দেশটা কোন দিকে যায় বা নিতে হবে এটা নির্ধারণে আপনাদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সুযোগ অনেক রক্তের বিনিময়ে এসেছে। ১৬ বছর একজনের শাসন চলেছে। পূর্বের পরিস্থিতি যদি আর না চান তাহলে পরিবর্তন আনতে হবে। সংবিধানে পরিবর্তন আনতে হবে। যেখানে জনগণের ইচ্ছা প্রাধান্য পাবে। এ ব্যবস্থা চলতে পারে না। এ ব্যবস্থা বন্ধ করবেন কীভাবে। জুলাই সনদের সমর্থনে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে।

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে হবে। বাংলাদেশে আপনার আমার অধিকার আরেকজন নিয়ে যাবে এটা বন্ধ করতে হবে। ইনসাফ কীভাবে পাবেন, কীভাবে প্রতিরোধ করবেন, সেটা হচ্ছে গণভোট। চুরির রাস্তা বন্ধ। বাংলাদেশের ভবিষ্যত বিনির্মাণ করতে গণভোটে হ্যাঁ এর বিকল্প কিছু দেখছি না। এটা সরকারের এজেন্ডা নয়। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করার পর সরকার এটার দায়িত্ব পালন করছে। গোলাপী ব্যালটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে নাগরিকের রায় বাস্তবায়িত হবে। না হলে তার বিপরীত।

উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ইমাম সমাজের একজন সম্মানীয় নেতা। আপনার মিম্বার আছে, শ্রোতা আছে। আপনাদের প্রচারণার মাধ্যমে বাংলাদেশ যেন একটি ইনসাফের রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠে। আমরা এমন প্রধানমন্ত্রী চাই, যারা দেশ প্রেমের জন্য জীবন দিবে। সংবিধান সংশোধন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। সম্পদের সুষ্ঠু বন্টন এ দেশের জন্য আরো জরুরি।

মতবিনিময় সভায় জাতীয় ইমাম সমিতি, ময়মনসিংহ এর সভাপতি মাওলানা আমিনুল হক, আঞ্জুমান ঈদগাহের ইমাম মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, সাংবাদিকবৃন্দ ও গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

জামালপুরে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর চাপ ** জাকিরুল ইসলাম বাবু ** জামালপুর প্রতিনিধি ** জামালপুরে ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের কারণে পুরো জেলায় শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা ঠান্ডাজনিত নানা সমস্যায় কাহিল হয়ে পড়েছে। শীত থেকে রক্ষা পেতে আগুন পোহাতে গিয়ে সরিষাবাড়িতে শতবর্ষী বৃদ্ধা মরিয়ম বেওয়ার মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে চিকিৎসকরা বলছেন, “শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। শিশু রোগীর সংখ্যাই বেশি। শীতের তীব্রতা আরো বাড়লে রোগীর সংখ্যাও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।” এ ছাড়া হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি বেশিরভাগ শিশুই নিউমোনিয়া, ঠান্ডা-জ্বর ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। হাসপাতালের শয্যা সংকটের কারণে এক বিছানায় তিনজন শিশুকে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। এতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। শীতের প্রকোপে সবচেয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে শিশু ও বয়স্করা। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেকেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসছেন। চিকিৎসকরা বলছেন, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সর্দি, কাশি, জ্বর ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এদিকে শীতের প্রভাব পড়েছে কৃষিতেও। বোরো ধানের বীজতলা ও শীতকালীন সবজি ক্ষেত রক্ষায় কৃষকরা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছেন। তবে কুয়াশার কারণে রোদ না পাওয়ায় কিছু সবজি ক্ষেতে রোগের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শীত মোকাবিলায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, শীত আরও বাড়লে নিম্ন আয়ের মানুষদের দুর্ভোগ আরও তীব্র হবে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে এবং শীতের তীব্রতা অব্যাহত থাকতে পারে। জামালপুর সদর উপজেলার ইউএনও নাজনীন আখতার জানান, কম্বল বিতরণ করা হয়েছে এবং শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও ঠান্ডা-জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে মোট ৬২৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। ঠান্ডা-জ্বর ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি থাকা শিশুর সংখ্যা ১২৭ জন। ২৪ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি ৮৩ জন এবং ৩২ শয্যার শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ৪৪ জন শিশু রয়েছে। ফলে দেখা যাচ্ছে, শিশু ওয়ার্ডের নির্ধারিত শয্যার প্রায় তিনগুণ রোগী ভর্তি রয়েছে। হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, শিশু ওয়ার্ডে প্রতি বিছানায় দুই থেকে তিনজন শিশুকে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পাশেই তাদের অভিভাবকরা দাঁড়িয়ে বা বসে অবস্থান করছেন। মেডিসিন ওয়ার্ডগুলোতেও জায়গার অভাবে অনেক রোগী বারান্দায় বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শিশু খাদিজার মা হ্যাপি বেগম বলেন, “ছয় দিন আগে আমার মেয়ের ঠান্ডা-জ্বর শুরু হয়। এলাকায় ফার্মেসি থেকে ওষুধ খাওয়ানোর পরও ভালো না হয়ে বমি শুরু হয়। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে ভর্তি করাই। এখন আগের তুলনায় অনেকটাই ভালো আছে। শীত পড়ার পর থেকেই এই সমস্যা শুরু হয়েছে।” জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার মুখশিমলা এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম বলেন, “সর্দি-কাশিতে আমার পাঁচ মাস বয়সী নাতনি খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছে। প্রথমে ইসলামপুর হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম, পরে জামালপুর হাসপাতালে ভর্তি করি। গত দুই দিন ধরে হাসপাতালে আছি। এক বিছানায় দুই-তিনজন করে বাচ্চা রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বাচ্চার সঙ্গে থাকার মতো জায়গা না থাকায় খুব কষ্টে আছি।” জামালপুর জেলা শহরের লাঙ্গলজোড়া এলাকার বাসিন্দা রাজিয়া বেগম বলেন, হাসপাতালে আনার পর কোনো সিট পাইনি। নিচে বিছানা পেতে ছেলের চিকিৎসা নিচ্ছি। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মাথা ফুলে গিয়েছিল। গত কয়েকদিন ধরে শীত বেড়েছে, তখন থেকেই রোগ শুরু হয়েছে। হাসপাতালের নার্স সাদিয়া আক্তার বলেন, প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শিশু ওয়ার্ডে বেশিরভাগই ঠান্ডা-জ্বরে আক্রান্ত শিশু। এত রোগী একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মাহফুজুর রহমান সোহান বলেন, প্রতিবছর শীতকালে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এ বছরও শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শিশুদের জন্য বর্তমানে দুইজন মেডিকেল অফিসার ও একজন জুনিয়র কনসালটেন্ট চিকিৎসক রয়েছেন। আমরা চিকিৎসক ও জায়গা, দুই সংকটেই ভুগছি। ফলে সেবা দিতে চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। এদিকে জামালপুরে সপ্তাহকাল ধরে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যের দেখা মিলছে না। মঙ্গলবার রাতে জেলায় রাতের তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, গত কয়েক দিন ধরে বয়ে যাওয়া হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় প্রচণ্ড শীতে জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হলেও আরও অনেক জায়গায় শীতার্তদের মাঝে কম্বলের চাহিদা রয়েছে। জামালপুরের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহেল কাফি বলেন, জেলায় সাড়ে সাত হাজার কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এসব কম্বল উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে শীতার্ত মানুষের মাঝে বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

জয়পুরহাটে বিএনপির পরিকল্পনা মোতাবেক ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ক কর্মশালা ** সুকমল চন্দ্র বর্মন (পিমল) জেলা প্রতিনিধি ** জয়পুরহাট জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ( জয়পুরহাট – পাঁচবিবি) এক আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধান বলেছেন, বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে স্বনির্ভর জাতি হিসেবে গঠন করতে প্রত্যেক পরিবারের নারীদের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের কৃষি, স্বাস্থ্য ও ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা কার্ড প্রদান করা হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌর শহরের নতুনহাট কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপির পরিকল্পনা মোতাবেক ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি নেতা বলেন, বিতরণ করা ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীরা স্বাবলম্বী হতে পারবে। কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা বিনামূল্যে এবং ন্যায্য মূল্যে সার ও বীজসহ অন্যান্য সরঞ্জাম কিনতে পারবেন। স্বাস্থ্যকার্ডের মাধ্যমে স্থানীয় হাসপাতালে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পাবে। আর বড় ধরনের অসুখ হলে বড় চিকিৎসকদের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রধান করা হবে। আর শিক্ষা কার্ডের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষায় সহায়তা প্রদান করা হবে। এসময় অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাব, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি হেনা কবীর, সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল প্রধান সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহে জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত ** মকবুল হোসেন** ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ** ময়মনসিংহে জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ৭ জানুয়ারি বুধবার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রেজা মোঃ গোলাম মাসুম প্রধানের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, শিশুদের কল্যাণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের একটি অগ্রাধিকারমূলক দায়িত্ব। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত, পথশিশু ও ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের জন্য কার্যকর ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করতে জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টা জরুরি। তিনি আরও বলেন, শিশুদের মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে একযোগে কাজ করতে হবে। শিশু কল্যাণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। সভায় জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সদস্যবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় শিশু কল্যাণ সংক্রান্ত চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

পাঁচবিবিতে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন ও গণভোটে উদ্ধৃতকরণ প্রচারণা সভা ** সুকমল চন্দ্র বর্মন (পিমল) জেলা প্রতিনিধি ** জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ এ আচরনবিধি প্রতিপালন ও গণভোটে বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণভোট প্রদানে উদ্বুদ্ধ করতে গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় পাঁচবিবি তিনমাথায় (গোহাটি) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রচারণা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম আহমেদ । সভায় বাংলাদেশ সরকারের সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের ভোটের গাড়ির ডিসপ্লেতে গণভোটের বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ ও জুলাই বিপ্লবের উপর প্রমান্য চিত্র প্রদর্শন করা হয় । এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভুমি বেলায়েত হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী মোবারক হোসেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন, থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা হাফিজ মোঃ রায়হান সহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী, পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারী, বনিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, বিভিদন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রী, এনজিও প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ । সমগ্র অনুষ্টানটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার এবং পৌর প্রশাসক সেলিম আহমেমের নির্দেশনায় প্রচারিত হয় । গণভোট বিষয়ে সাধারণ জনগণের মতামত গ্রহণ ও তা প্রধান উপদেষ্টা দর নিকট প্রেরণের জন বক্স স্থাপন করা হয়।

গণভোট প্রচারণা কার্যক্রম ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা ** মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ** ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ ও গণভোট প্রচারণা কার্যক্রম এবং সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ বুধবার, ০৭ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিপিডি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আবু শাহীন মো: আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: সাইফুর রহমান। এছাড়াও পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ এবং জেলার সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের দপ্তরপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি: তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে অন্যান্য সংসদ নির্বাচনের সংসদ সদস্য (এমপি) কে ভোট প্রদানের পাশাপাশি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে গণভোটের হ্যাঁ অথবা না ভোটের বিধান রাখা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে গণভোটের প্রচারণা, সাধারণ জনগণকে অবহিতকরণ এবং ব্যাপক প্রচারের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর একযোগে কাজ করছে। সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে জনসংযোগ, উঠান বৈঠক, মহিলা সমাবেশ, কমিউনিটি সভা, মতবিনিময় সভা ও সেমিনার এবং অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার করতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সভায় নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা, গণভোটের প্রচারণা এবং তৃণমূল পর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন সমন্বয় নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় আলোচকরা সকলের সার্বিক সহযোগিতায় একটা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে বৈষম্য প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের শ্রদ্ধা নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করে সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বৈষম্য প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ।  সোমবার দুপুর দুইটায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তারা।  বৈষম্য প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন, দোয়া প‌রিচালনা ক‌রেন বৈষম্য প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য মোঃ ইমরান সোসেন।  বৈষম্য প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো: জহিরুল ইসলাম কলিম বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের অভিভাবকহীন করে চলে গেছেন। আমরা ওনার আত্নার মাগফেরাত কামনা করি। আল্লাহ ওনাকে জান্নাত নসিব করুক। শেখ হাসিনা খালেদা জিয়াকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে স্লো পয়জনিং করেছে। আল্লাহর রহমতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বেঁচে ছিল কিন্তু শেখ হাসিনা তার রান্না করা ভাত খেতে পারেনি এক কাপড়ে তাকে দেশ ত্যাগ করতে হয়েছে আল্লাহ তায়ালা ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না“।    তিনি আরো বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার মধ্যে কোনো হিংসা বিদ্বেষ ছিল না। কোনোদিন কারো সাথে খারাপ আচরণ করেননি। ঠিক তেমনি তারেক রহমানের মাঝেও কোনো ধরনের হিংসা বিদ্বেষ নেই। তিনি সবার সাথে আলোচনায় বসছেন। সবাইকে নিয়ে দেশ পরিচালনার কথা ভাবছেন। আশা করি দেশনেত্রীর মত সবাইকে একত্রিত করে দেশকে সঠিকভাবে পরিচালনা করবেন।” তিনি আরো বলেন, এই শোককে শক্তিতে পরিণত করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী বার ফেব্রুয়ারির  নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে।  এসময় আরো উপ‌স্থিত ছি‌লেন, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা নাদিম চৌধুরী, সহ সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মো: আনোয়ার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ মোহাম্মদ বেলাল হোসেন,  ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য কালাম ফয়েজি, রাজু আহম্মেদ শাহ, মুহিদুল ইসলাম জাকির, রমিজ উদ্দিন রুমি, এস কে সঞ্জয়, আশরাফুল আলম বাচ্চুসহ ফাউন্ডেশনের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।

আলীকদম ও থানচিতে শীতার্ত পরিবারে বিজিবি’র শীতবস্ত্র বিতরণ # মোঃশফিকুল ইসলাম তুহিন বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি # বান্দরবানের আলীকদম ও থানচি উপজেলার স্থানীয় অসহায়, দুস্থ ও শীতার্ত পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং বাঙালি পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করেছে বিজিবি। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) আলীকদম ৫৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন উপজেলার নয়াপাড়া ইউনিয়নের বসবাসরত স্থানীয় অসহায়, দুস্থ পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় ও বাঙালি পরিবারসহ ১৭৫টি শীতার্ত পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করেন। একই সাথে থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের অন্তর্গত আলীকদম ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সব বিওপি কর্তৃক দুর্গম সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আরো ২২০টি প্রান্তিক শীতার্ত পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। আলিকদম ৫৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী উপস্থিত থেকে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। তিনি বলেন, আলীকদম ব্যাটালিয়ন অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে সীমান্ত সুরক্ষা ছাড়াও চোরাচালান, মাদকদ্রব্য, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং আন্তঃ রাষ্ট্রীয় সীমান্ত অপরাধ দমন করছে। পাশাপাশি “অপারেশন উত্তরণ” এর আওতায় দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় বসবাসরত স্থানীয় নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মাঝে বিভিন্ন সময়ে মানবিক ও জনকল্যানমূলক কাজের অংশ হিসেবে বিনামূলো চিকিৎসা সেবা প্রদান, আর্থিক অনুদান, খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ, শীতকালীন কম্বল বিতরণ, অগ্নিকান্ড এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে পাহাড়ী বাঙ্গালী সম্প্রীতি সুদৃঢ়করণে বিজিবি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে আসছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় লামায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল ** মোঃশফিকুল ইসলাম তুহিন ** বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি বাংলাদেশের সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় বান্দরবানের লামা উপজেলায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) লামা উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন তুষার, আবিদুর রহমান, বাবু রিটল বিশ্বাস, সাবেক পৌর কাউন্সিলর আইয়ুব খানসহ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। দোয়া মাহফিলে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন।

গণভোটের প্রচারণায় একই মঞ্চে মুখ্য সমন্বয়ক, উপদেষ্টা ও সিনিয়র সচিব।

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে

 

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি;

ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রশাসন ও বিভাগীয় ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের যৌথ আয়োজনেআজ ১৯ জানুয়ারি সোমবার বিকালে নগরীর সার্কিট হাউজ মাঠে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটের প্রচারণা ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে এ বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে ময়মনসিংহ অঞ্চলের ইমামগণ অংশগ্রহণ করেন।

বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মী এনডিসি এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ ফজলুর রহমান, ডিআইজি মোহাম্মদ আতাউল কিবরিয়া।

প্রধান অতিথি বলেন, ২০২৪ সালে অনেকে প্রাণ দিয়েছে, আহত হয়েছে। একটা জুমুল সরকার কতটুকু করতে পারে, কতদূর করতে পারে, সেটা আপনারা দেখেছেন। প্রেক্ষিতে, একসঙ্গে মিলিত হয়ে আমাদের স্মরণ করা উচিত, আমাদের উপর কী দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ যেন এরকম পরিস্থিতিতে আর না পড়ে। যেন মায়ের বুক আর খালি না হয়। এ দায়িত্বটা আমার আপনার সকলের।

মুখ্য সমন্বয়ক আরো বলেন, ভবিষ্যতে দেশটা কোন দিকে যায় বা নিতে হবে এটা নির্ধারণে আপনাদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সুযোগ অনেক রক্তের বিনিময়ে এসেছে। ১৬ বছর একজনের শাসন চলেছে। পূর্বের পরিস্থিতি যদি আর না চান তাহলে পরিবর্তন আনতে হবে। সংবিধানে পরিবর্তন আনতে হবে। যেখানে জনগণের ইচ্ছা প্রাধান্য পাবে। এ ব্যবস্থা চলতে পারে না। এ ব্যবস্থা বন্ধ করবেন কীভাবে। জুলাই সনদের সমর্থনে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে।

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে হবে। বাংলাদেশে আপনার আমার অধিকার আরেকজন নিয়ে যাবে এটা বন্ধ করতে হবে। ইনসাফ কীভাবে পাবেন, কীভাবে প্রতিরোধ করবেন, সেটা হচ্ছে গণভোট। চুরির রাস্তা বন্ধ। বাংলাদেশের ভবিষ্যত বিনির্মাণ করতে গণভোটে হ্যাঁ এর বিকল্প কিছু দেখছি না। এটা সরকারের এজেন্ডা নয়। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করার পর সরকার এটার দায়িত্ব পালন করছে। গোলাপী ব্যালটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে নাগরিকের রায় বাস্তবায়িত হবে। না হলে তার বিপরীত।

উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ইমাম সমাজের একজন সম্মানীয় নেতা। আপনার মিম্বার আছে, শ্রোতা আছে। আপনাদের প্রচারণার মাধ্যমে বাংলাদেশ যেন একটি ইনসাফের রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠে। আমরা এমন প্রধানমন্ত্রী চাই, যারা দেশ প্রেমের জন্য জীবন দিবে। সংবিধান সংশোধন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। সম্পদের সুষ্ঠু বন্টন এ দেশের জন্য আরো জরুরি।

মতবিনিময় সভায় জাতীয় ইমাম সমিতি, ময়মনসিংহ এর সভাপতি মাওলানা আমিনুল হক, আঞ্জুমান ঈদগাহের ইমাম মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, সাংবাদিকবৃন্দ ও গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।