
প্রতি রাতে প্রিয়তম অন্ধকারের বুকে মুখ গুঁজে ডুকরে কেঁদে উঠি।
ও চেয়ে থাকে প্রাচীন দীঘিটির মতো।
নীলচে আলোয় কোল পেতে দিই। ও আশ্রয় খোঁজে। নরম হাত রাখি ওর কপালে। চুলে বিলি কাটি। আদুরে ঠোঁটে আঙুল ডোবাই।
লাল পরী আর রূপবান নক্ষত্রের গল্প শোনাই। ওর শিথিল পিঠে পক্ষীরাজের ডানা আঁকি।
ও খিলখিলিয়ে হাসে, দুরন্ত অভ্যাসে…
মরালীর গ্রীবায় কুয়াশার ওম। আকন্ঠ পান করি ওর উষ্ণতা। অন্ধকার খোলস ছাড়ে। বলিষ্ঠ যুবকের মতো লুঠ করে আমার দুর্নিবার নিঃসঙ্গতা। মুমূর্ষু শরীর জুড়ে সুগন্ধী ফুল ফোটে। পাপড়ির বুকে স্পর্শের দেহঋণ। রাতচোরা পাখিরা শিস দেয়। রাতের আঙিনা জুড়ে গোপন সংকেত। অন্ধকারে মিশে যায় ছায়ার শরীর।
শাল পিয়ালের বনে গাছে গাছে ফিঙে, বুলবুলি। রক্তিম উল্লাসে জেগে ওঠে মৈথিলি ভোর। ছায়ারা দীর্ঘ হয়, স্পর্শেরা আলগা হয়। আমার কান্না আসে।
অচিন আলোয় স্নান সেরে অনিবার্যতার মুখোমুখি হই।
কর্তব্যের হেঁসেল সাজাই
পায়েসের গন্ধে বুক ভরে হারিয়ে যাই মায়াকাননে।

রেজুয়ান হাসান, নিজস্ব প্রতিবেদক 












