, শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় হাওর থেকে যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য।

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • ২৭৬ পড়া হয়েছে

রেজুয়ান হাসান জয়, নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার জালালপুর হাওরের কাঞ্জারখাল স্থানীয়ভাবে দুগদইল্লে ঘাট নামে পরিচিত এলাকা থেকে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরা এক যুবকের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ৩ জুলাই দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম রাসেল মিয়া ২৫, বাড়ি মদন উপজেলার কুলিয়াটি পশ্চিম পাড়া আড়গিলা গ্রামে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশাচালক ছিলেন। তাঁর বাবা আবুল হোসেন জানান, গত ৩০ জুন দুপুরে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন রাসেল, এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন মদন থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন পরিবারের সদস্যরা।

আজ দুপুরে হাওরে ভাসতে থাকা একটি প্লাস্টিকের বস্তা দেখতে পান স্থানীয়রা। সন্দেহজনক মনে হওয়ায় থানায় খবর দিলে, কেন্দুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাটি উদ্ধার করে। বস্তা খুলতেই বেরিয়ে আসে এক যুবকের ফুলে-গলে যাওয়া মরদেহ, সঙ্গে ছিল পাথর ও ইটের ওজন দেওয়া।

প্রাথমিকভাবে পোশাক ও গঠন দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন রাসেলের বাবা।

ওসি মিজানুর রহমান বলেন,

রাসেল নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে আমাদের নজর ছিল। আজ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে। হত্যার পর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় কেন্দুয়া ও মদন এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসী অবিলম্বে হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বিস্তারিত আসছে..

 

জনপ্রিয়

কেন্দুয়ায় হাওর থেকে যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য।

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

রেজুয়ান হাসান জয়, নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার জালালপুর হাওরের কাঞ্জারখাল স্থানীয়ভাবে দুগদইল্লে ঘাট নামে পরিচিত এলাকা থেকে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরা এক যুবকের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ৩ জুলাই দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম রাসেল মিয়া ২৫, বাড়ি মদন উপজেলার কুলিয়াটি পশ্চিম পাড়া আড়গিলা গ্রামে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশাচালক ছিলেন। তাঁর বাবা আবুল হোসেন জানান, গত ৩০ জুন দুপুরে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন রাসেল, এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন মদন থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন পরিবারের সদস্যরা।

আজ দুপুরে হাওরে ভাসতে থাকা একটি প্লাস্টিকের বস্তা দেখতে পান স্থানীয়রা। সন্দেহজনক মনে হওয়ায় থানায় খবর দিলে, কেন্দুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাটি উদ্ধার করে। বস্তা খুলতেই বেরিয়ে আসে এক যুবকের ফুলে-গলে যাওয়া মরদেহ, সঙ্গে ছিল পাথর ও ইটের ওজন দেওয়া।

প্রাথমিকভাবে পোশাক ও গঠন দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন রাসেলের বাবা।

ওসি মিজানুর রহমান বলেন,

রাসেল নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে আমাদের নজর ছিল। আজ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে। হত্যার পর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় কেন্দুয়া ও মদন এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসী অবিলম্বে হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বিস্তারিত আসছে..