, শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অস্বচ্ছল ব্যক্তির ছেলে মেয়েদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হবে : ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা। 

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫
  • ১০০ পড়া হয়েছে

ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, অচ্ছল ব্যক্তির ছেলে মেয়েদের শিক্ষার সুবিধার্থে শিশু বৃত্তি প্রদান করা হবে। গ্রামিন ও প্রান্তিক অঞ্চলের শিশুদের শিক্ষার আলো পৌছে দিতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। মসজিদ ভিত্তিক কার্যক্রমের মতোই মন্দির ভিত্তিক কার্যক্রম একই সুবিধায় পরিচালিত হবে। তিনি শুক্রবার ১৮ জুলাই বিকালে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটরিয়ামে ” টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন এবং নৈতিক শিক্ষার প্রসারে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গনশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের ভুমিকা ” শীর্ষক খুলনা জেলা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এ কথা বলেন। উপাসানালয় কেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা হলো আদি ঐতিহ্য। আদিকাল থেকে আধুনিকাল পর্যন্ত উপাসানালয় অঙ্গনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সরকারের সুনামগঞ্জের তাহেরপুরে সরকারি ব্যয়ে মন্দির ও স্মশাংঘাট নির্মান করে দিয়েছে। অচ্ছল মন্দিরে আর্থিক অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বিদ্যুৎ সাশ্র‍য়ের জন্য মন্দিরে সোলার প্যানেল বসানোর পরামর্শ দেন উপদেষ্টা। খুলনা জেলা প্রসশক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা ও গনশিক্ষা কার্যক্রম ৬ষ্ঠ পর্যায়ের প্রকল্প পরিচালক ড. শ্রীকান্ত কুমার চন্দ,ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সাদেক আহমেদ ও খুলনা ইসলামী ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় পরিচালক মো: আনিসুজ্জামান সিকদার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাস্টের ট্রাস্টি সত্যানন্দ দত্ত। কর্মশালায় ধারনা পত্র উপস্থাপন করেন মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা ও গনশিক্ষা কার্যক্রম ৬ষ্ঠ পর্যায়ের খুলনা জেলা কার্যালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

জনপ্রিয়

অস্বচ্ছল ব্যক্তির ছেলে মেয়েদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হবে : ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা। 

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫

ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, অচ্ছল ব্যক্তির ছেলে মেয়েদের শিক্ষার সুবিধার্থে শিশু বৃত্তি প্রদান করা হবে। গ্রামিন ও প্রান্তিক অঞ্চলের শিশুদের শিক্ষার আলো পৌছে দিতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। মসজিদ ভিত্তিক কার্যক্রমের মতোই মন্দির ভিত্তিক কার্যক্রম একই সুবিধায় পরিচালিত হবে। তিনি শুক্রবার ১৮ জুলাই বিকালে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটরিয়ামে ” টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন এবং নৈতিক শিক্ষার প্রসারে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গনশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের ভুমিকা ” শীর্ষক খুলনা জেলা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এ কথা বলেন। উপাসানালয় কেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা হলো আদি ঐতিহ্য। আদিকাল থেকে আধুনিকাল পর্যন্ত উপাসানালয় অঙ্গনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সরকারের সুনামগঞ্জের তাহেরপুরে সরকারি ব্যয়ে মন্দির ও স্মশাংঘাট নির্মান করে দিয়েছে। অচ্ছল মন্দিরে আর্থিক অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বিদ্যুৎ সাশ্র‍য়ের জন্য মন্দিরে সোলার প্যানেল বসানোর পরামর্শ দেন উপদেষ্টা। খুলনা জেলা প্রসশক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা ও গনশিক্ষা কার্যক্রম ৬ষ্ঠ পর্যায়ের প্রকল্প পরিচালক ড. শ্রীকান্ত কুমার চন্দ,ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সাদেক আহমেদ ও খুলনা ইসলামী ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় পরিচালক মো: আনিসুজ্জামান সিকদার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাস্টের ট্রাস্টি সত্যানন্দ দত্ত। কর্মশালায় ধারনা পত্র উপস্থাপন করেন মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা ও গনশিক্ষা কার্যক্রম ৬ষ্ঠ পর্যায়ের খুলনা জেলা কার্যালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।