, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মুক্তাগাছায় পরিবেশ অধিদপ্তরএবং জেলাও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অবৈধ ইট বাটার প্রস্তুত বিরুদ্ধে মোবাইল কোট পরিচালিত মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ময়মনসিংহ পরিবেশ অধিদপ্ত, জেলা কার্যালয় এবং উপজেলা প্রশাসন, মুক্তাগাছার এর যৌথ উদ্যোগে ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার সাবানিয়া মোড়, কাঠবাওলা নামক এলাকায় মুক্তাগাছা উপজেলার সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব লুবনা আহমেদ লুনার নেতৃত্বে আজ ২০নভেম্বর বৃহস্পতিবার অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন(নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ ( সংশৈাধিত ২০১৯) এর আলোকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয় । মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে বর্ণিত আইনের ধারা ৫(২) ও ৮(৩) এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে জেলা প্রশাসকের অনুমতি ব্যতীত এবং নিষিদ্ধ এলাকায় ইটভাটা স্থাপন, পরিচালনার অপরাধে মেসার্স মদিনা ব্রিকস নামক ইটভাটার চিমনিসহ দেয়াল ভেঙ্গে সম্পূর্ণরূপে ঘুড়িয়ে দেওয়া হয় এবং একইসাথে ইটভাটার সকল কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্টে পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাজিয়া উদ্দিন, পরিদর্শক মোঃ রুকন মিয়া প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময় পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আল মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের এর সদস্য, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তুমি এতো অভিমানী কেনো মেয়ে? ~ সুমি ইসলাম  অলকার বারান্দায় __সালমা আক্তার বন্ধু বিক্রি আছে কি কোথাও? ~ রেজুয়ান হাসান খুলনার ৬ আসনে আমন্ত্রন পেলেন যারা, মনোনয়ন প্রত্যাশিতীদের সাথে তারেক রহমানের বৈঠক আজ। যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের নেতা আব্দুল্লাহ হক শাকুর শোডাউন। ব্যাংক সমিতির ঋণ ~ তাছলিমা আক্তার মুক্তা। নতুন কুঁড়ি প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায়” রবীন্দ্রসঙ্গীতে প্রথম কেন্দুয়ার তাজকিয়া ফেরদৌসী। লামা ছাগলখাইয়া ইয়াং স্টার ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত।

কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ইমদাদুল হক তালুকদার একজন ভালো মনোবিজ্ঞানী ।

  • প্রকাশের সময় : ০৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৫৮ পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, ক্রাইম রিপোর্টারঃ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড.ইমদাদুল হক তালুকদার একজন ভালো মানের মনোবিজ্ঞানী।

৩৫তম বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তা ড. ইমদাদুল হক তালুকদার। একজন বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তা, যিনি বর্তমানে কেন্দুয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে কর্মরত। এর আগে তিনি বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের মনোবিজ্ঞানের এক উজ্জল নক্ষত্র তৈরী করেছেন ড.ইমদাদুল হক তালুকদার।

ড.ইমদাদুল হক ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর সদরের মোহনপুরের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ৪ আগস্ট ১৯৮৭ ইং ( অফিসিয়ালি: ৩১ ডিসেম্বর ১৯৮৮ইং) জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মোঃ শামছুল হক তালুকদার বাশচড়া এসবিজি মডার্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪০ বছর প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

ইমদাদুল হক তালুকদারের মাতা মাহফুজা খাতুন মোহনপুর খুপিবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন । ইমদাদুল হক তালুকদারের প্রাথমিক শিক্ষার হাতে খড়ি হয় নিজ মা যে বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক ছিলেন সে বিদ্যাপীঠে। মাধ্যমিকে পড়াশোনা করেন বাশচড়া এসবিজও মর্ডান উচ্চ বিদ্যালয়ে। উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা সম্পন্ন করেন ঢাকা স্টেট কলেজে পরবর্তীতে লেখাপড়ার ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে বিএসসি (সাইকোলজি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এমএসএস ও পিএইচডি, ডেভেলপমেন্টাল সাইকোলজি, Abo Akademi University, Finland, এমএসসি ইন মেডিক্যাল সায়েন্স (মেজর ইন হেলথ ইকনমিক্স, পলিসি এন্ড ম্যানেজমেন্ট, Karolinska Instirute, Sweden.সম্পন্ন করেন। দাম্পত্য জীবনে তিনি স্বোপার্জিতা হক তালুকদার অধরা নামে এক কন্যা সন্তানের জনক।

তিনি শৈশব কৈশোর থেকেই বহু গুনের অধিকারী, শিক্ষা জীবনে কৃতিত্বের পাশাপাশি প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন বহু। এছাড়াও তিনি নিজেকে সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত রেখেছেন সময়। মানবিক গুনাবলীর বহিঃ প্রকাশ ঘটিয়েছেন বিভিন্ন কর্মকান্ডে।

তন্মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি ও এফএইচ হল ডিবেটিং সোসাইটিতে বিতার্কিক হিসেবে অংশগ্রহণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছা রক্তদান কর্মসূচীর আওতায় রক্তদান ও ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ, ইউএসএইডের অর্থায়নে ফিল্ম ফর ফ্রিডম প্রকল্পের আওতায় শর্ট ফিল্ম মেকার হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে জনসচেতনতা ও জননান্দনিকতা সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করেছেন। ছাত্র জীবন থেকে কর্মজীবন, সংসার জীবন সর্ব জায়গাতেই তিনি অতুলনীয় ভূমিকা রেখেছেন।

এছাড়াও উঁনার রয়েছে বহুমাত্রিক প্রতিভা, রয়েছে বিচিত্র অভিজ্ঞতা। তিনি দীর্ঘদিন কালের কন্ঠের ফিচার বিভাগের নিয়মিত লেখালেখি করেছেন। আমাদের সময়ের বিনোদন বিভাগে ফিচার লেখক হিসেবে কাজ করেছেন, জাতীয় রম্য টেবলয়েড “বিচ্ছু” ও “ঘোড়ার ডিম” এর এক সময়কার নিয়মিত লেখক। এছাড়াও, কালের খেয়া, গল্পকার সহ জাতীয় সাহিত্য অঙ্গণে ছোটগল্প, কবিতা প্রকাশ। এক সময় প্রায় নিয়মিত জতীয় দৈনিকে উপসম্পাদকীয় ও কলাম লেখার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

এখনো সকল জাতীয় মিডিয়ার সাথে সম্পৃক্ততা ও সু সম্পর্ক রয়েছে। ড.ইমদাদুল হক তালুকদারের প্রকাশিত গ্রন্থগুলো হল -পরানপোড়া ছাই (ঐতিহ্য প্রকাশনী, কবিতার বই), শাখের করাত (রম্য রচনা) এছাড়াঔ তিনি মরমী কবি সাধক জালাল উদ্দিন খাঁ কে নিয়ে ভাব তরঙ্গ নামে একটি পুস্তক সম্পাদনা করেছেন। তিনি যেমন লেখালেখিতে স্বিদ্ধ হস্ত তেমনি কন্ঠ সংগীতেও পারদর্শী। তাঁর সুরেলা কন্ঠের গান মানুষকে বিমোহিত করে। মুগ্ধ তাঁর গান শোনে শ্রোতারা এমন নজীর রয়েছে বহু।

মঞ্চে টেলিভিশনেও উঁনার গান ব্যাপকভাবে সমাধৃত হয়েছে দর্শক শ্রোতার কাছে। উঁনার সংগীত ও লেখালেখির হাতে খড়ি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান-নিজ আগ্রহে সংগীত শিক্ষা, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। তবে সংগীতের তাত্ত্বিক ও কারিগরী দিক নিয়ে প্রচুর পড়াশোনার অভ্যাস রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই প্রচুর বই পড়ার অভ্যাস থেকেই স্কুল জীবনে একুশে ফেব্রুয়ারির একটি দেয়াল পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে লেখালেখিতে হাতেখড়ি।

তার সম্পর্কে জানতে গিয়ে আরও জানা গেছে- ড. ইমদাদুল হক তালুকদার উন্নয়ন মনোবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল “বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ”। তিনি ফিনল্যান্ডের Åbo Academi University থেকে এই ডিগ্রি লাভ করেন। উঁনার থিথিস মূলক গ্রন্থ ইংরেজী ভাষায় ফিলল্যান্ডের অ্যাবো একাডেমী থেকে প্রকাশিত হয়েছে। কর্মজীবনে

ড. ইমদাদুল হক তালুকদার বিভিন্ন সরকারি পদে কাজ করেছেন, যার মধ্যে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), কেন্দুয়া, নেত্রকোণা। সরকারের সিনিয়র সহকারী সচিব।অন্যান্য আরও সামাজিক কর্মকান্ডেও সময় দিয়েছেন।

পিএইডি চলাকালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসে ২০১৬ সালে International Society for Research on Agression (ISRA) এর আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে সারা পৃথিবীর সেরা ১০ জন যুব গবেষকদের একজন হিসেবে Young Investigator 2016 পদক পেয়েছিলেন তিনি। তিনি এখন ISRA র একজন আন্তর্জাতিক ফেলো সদস্য।

বহু প্রতিভার অধিকারী ড.ইমদাদুল হক তালুকদার, কালের পরিক্রমায় শৈশব কৈশোর পেরিয়ে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক গন্ডী পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা সম্পন্ন করে। উচ্চতর ডিগ্রীর জন্য পাড়ি জমান বিদেশের মাটিতে। ফিনল্যান্ডের অ্যাবো একাডেমী তে বিজ্ঞান উন্ননয়ন মূলক মনোবিজ্ঞান, শান্তি,মধ্যস্থতা দ্বন্দ্ব গবেষণা সহ সাংগঠনিক,মনোবিজ্ঞান, লিঙ্গ এবং রাজনীতি, সাইকেমেস্টি এবং স্বাস্থ্যনীতি ও অর্থায়ন নিয়ে করেছেন বিস্তর গবেষনা।

সম্প্রতি তিনি এক গবেষনায় জাপানের আমন্ত্রণে গিয়ে জাপান সফর শেষ করে নিজ কর্মস্থল কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দায়িত্বে মনোনিবেশন করেছেন এবং ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেননা তিনি একাধারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,উপজেলা প্রশাসক,পৌর প্রশাসক হিসেবে কেন্দুয়া উপজেলার সামগ্রিক বিষয় দূরদর্শিতা,বিচক্ষণতার সাথে খেয়াল রাখতে হচ্ছে।

বহু প্রতিভার অধিকারী ড.ইমদাদুল হক তালুকদার বাস্তব জীবনে ভাবাগের চেয়ে নীতিবোধটাকেই সন্মান দিয়ে দেখেন। আমরা তার উত্তরোত্তর সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করি।

জনপ্রিয়

মুক্তাগাছায় পরিবেশ অধিদপ্তরএবং জেলাও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অবৈধ ইট বাটার প্রস্তুত বিরুদ্ধে মোবাইল কোট পরিচালিত মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ময়মনসিংহ পরিবেশ অধিদপ্ত, জেলা কার্যালয় এবং উপজেলা প্রশাসন, মুক্তাগাছার এর যৌথ উদ্যোগে ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার সাবানিয়া মোড়, কাঠবাওলা নামক এলাকায় মুক্তাগাছা উপজেলার সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব লুবনা আহমেদ লুনার নেতৃত্বে আজ ২০নভেম্বর বৃহস্পতিবার অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন(নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ ( সংশৈাধিত ২০১৯) এর আলোকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয় । মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে বর্ণিত আইনের ধারা ৫(২) ও ৮(৩) এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে জেলা প্রশাসকের অনুমতি ব্যতীত এবং নিষিদ্ধ এলাকায় ইটভাটা স্থাপন, পরিচালনার অপরাধে মেসার্স মদিনা ব্রিকস নামক ইটভাটার চিমনিসহ দেয়াল ভেঙ্গে সম্পূর্ণরূপে ঘুড়িয়ে দেওয়া হয় এবং একইসাথে ইটভাটার সকল কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্টে পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাজিয়া উদ্দিন, পরিদর্শক মোঃ রুকন মিয়া প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময় পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আল মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের এর সদস্য, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ইমদাদুল হক তালুকদার একজন ভালো মনোবিজ্ঞানী ।

প্রকাশের সময় : ০৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, ক্রাইম রিপোর্টারঃ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড.ইমদাদুল হক তালুকদার একজন ভালো মানের মনোবিজ্ঞানী।

৩৫তম বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তা ড. ইমদাদুল হক তালুকদার। একজন বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তা, যিনি বর্তমানে কেন্দুয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে কর্মরত। এর আগে তিনি বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের মনোবিজ্ঞানের এক উজ্জল নক্ষত্র তৈরী করেছেন ড.ইমদাদুল হক তালুকদার।

ড.ইমদাদুল হক ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর সদরের মোহনপুরের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ৪ আগস্ট ১৯৮৭ ইং ( অফিসিয়ালি: ৩১ ডিসেম্বর ১৯৮৮ইং) জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মোঃ শামছুল হক তালুকদার বাশচড়া এসবিজি মডার্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪০ বছর প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

ইমদাদুল হক তালুকদারের মাতা মাহফুজা খাতুন মোহনপুর খুপিবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন । ইমদাদুল হক তালুকদারের প্রাথমিক শিক্ষার হাতে খড়ি হয় নিজ মা যে বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক ছিলেন সে বিদ্যাপীঠে। মাধ্যমিকে পড়াশোনা করেন বাশচড়া এসবিজও মর্ডান উচ্চ বিদ্যালয়ে। উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা সম্পন্ন করেন ঢাকা স্টেট কলেজে পরবর্তীতে লেখাপড়ার ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে বিএসসি (সাইকোলজি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এমএসএস ও পিএইচডি, ডেভেলপমেন্টাল সাইকোলজি, Abo Akademi University, Finland, এমএসসি ইন মেডিক্যাল সায়েন্স (মেজর ইন হেলথ ইকনমিক্স, পলিসি এন্ড ম্যানেজমেন্ট, Karolinska Instirute, Sweden.সম্পন্ন করেন। দাম্পত্য জীবনে তিনি স্বোপার্জিতা হক তালুকদার অধরা নামে এক কন্যা সন্তানের জনক।

তিনি শৈশব কৈশোর থেকেই বহু গুনের অধিকারী, শিক্ষা জীবনে কৃতিত্বের পাশাপাশি প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন বহু। এছাড়াও তিনি নিজেকে সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত রেখেছেন সময়। মানবিক গুনাবলীর বহিঃ প্রকাশ ঘটিয়েছেন বিভিন্ন কর্মকান্ডে।

তন্মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি ও এফএইচ হল ডিবেটিং সোসাইটিতে বিতার্কিক হিসেবে অংশগ্রহণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছা রক্তদান কর্মসূচীর আওতায় রক্তদান ও ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ, ইউএসএইডের অর্থায়নে ফিল্ম ফর ফ্রিডম প্রকল্পের আওতায় শর্ট ফিল্ম মেকার হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে জনসচেতনতা ও জননান্দনিকতা সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করেছেন। ছাত্র জীবন থেকে কর্মজীবন, সংসার জীবন সর্ব জায়গাতেই তিনি অতুলনীয় ভূমিকা রেখেছেন।

এছাড়াও উঁনার রয়েছে বহুমাত্রিক প্রতিভা, রয়েছে বিচিত্র অভিজ্ঞতা। তিনি দীর্ঘদিন কালের কন্ঠের ফিচার বিভাগের নিয়মিত লেখালেখি করেছেন। আমাদের সময়ের বিনোদন বিভাগে ফিচার লেখক হিসেবে কাজ করেছেন, জাতীয় রম্য টেবলয়েড “বিচ্ছু” ও “ঘোড়ার ডিম” এর এক সময়কার নিয়মিত লেখক। এছাড়াও, কালের খেয়া, গল্পকার সহ জাতীয় সাহিত্য অঙ্গণে ছোটগল্প, কবিতা প্রকাশ। এক সময় প্রায় নিয়মিত জতীয় দৈনিকে উপসম্পাদকীয় ও কলাম লেখার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

এখনো সকল জাতীয় মিডিয়ার সাথে সম্পৃক্ততা ও সু সম্পর্ক রয়েছে। ড.ইমদাদুল হক তালুকদারের প্রকাশিত গ্রন্থগুলো হল -পরানপোড়া ছাই (ঐতিহ্য প্রকাশনী, কবিতার বই), শাখের করাত (রম্য রচনা) এছাড়াঔ তিনি মরমী কবি সাধক জালাল উদ্দিন খাঁ কে নিয়ে ভাব তরঙ্গ নামে একটি পুস্তক সম্পাদনা করেছেন। তিনি যেমন লেখালেখিতে স্বিদ্ধ হস্ত তেমনি কন্ঠ সংগীতেও পারদর্শী। তাঁর সুরেলা কন্ঠের গান মানুষকে বিমোহিত করে। মুগ্ধ তাঁর গান শোনে শ্রোতারা এমন নজীর রয়েছে বহু।

মঞ্চে টেলিভিশনেও উঁনার গান ব্যাপকভাবে সমাধৃত হয়েছে দর্শক শ্রোতার কাছে। উঁনার সংগীত ও লেখালেখির হাতে খড়ি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান-নিজ আগ্রহে সংগীত শিক্ষা, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। তবে সংগীতের তাত্ত্বিক ও কারিগরী দিক নিয়ে প্রচুর পড়াশোনার অভ্যাস রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই প্রচুর বই পড়ার অভ্যাস থেকেই স্কুল জীবনে একুশে ফেব্রুয়ারির একটি দেয়াল পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে লেখালেখিতে হাতেখড়ি।

তার সম্পর্কে জানতে গিয়ে আরও জানা গেছে- ড. ইমদাদুল হক তালুকদার উন্নয়ন মনোবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল “বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ”। তিনি ফিনল্যান্ডের Åbo Academi University থেকে এই ডিগ্রি লাভ করেন। উঁনার থিথিস মূলক গ্রন্থ ইংরেজী ভাষায় ফিলল্যান্ডের অ্যাবো একাডেমী থেকে প্রকাশিত হয়েছে। কর্মজীবনে

ড. ইমদাদুল হক তালুকদার বিভিন্ন সরকারি পদে কাজ করেছেন, যার মধ্যে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), কেন্দুয়া, নেত্রকোণা। সরকারের সিনিয়র সহকারী সচিব।অন্যান্য আরও সামাজিক কর্মকান্ডেও সময় দিয়েছেন।

পিএইডি চলাকালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসে ২০১৬ সালে International Society for Research on Agression (ISRA) এর আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে সারা পৃথিবীর সেরা ১০ জন যুব গবেষকদের একজন হিসেবে Young Investigator 2016 পদক পেয়েছিলেন তিনি। তিনি এখন ISRA র একজন আন্তর্জাতিক ফেলো সদস্য।

বহু প্রতিভার অধিকারী ড.ইমদাদুল হক তালুকদার, কালের পরিক্রমায় শৈশব কৈশোর পেরিয়ে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক গন্ডী পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা সম্পন্ন করে। উচ্চতর ডিগ্রীর জন্য পাড়ি জমান বিদেশের মাটিতে। ফিনল্যান্ডের অ্যাবো একাডেমী তে বিজ্ঞান উন্ননয়ন মূলক মনোবিজ্ঞান, শান্তি,মধ্যস্থতা দ্বন্দ্ব গবেষণা সহ সাংগঠনিক,মনোবিজ্ঞান, লিঙ্গ এবং রাজনীতি, সাইকেমেস্টি এবং স্বাস্থ্যনীতি ও অর্থায়ন নিয়ে করেছেন বিস্তর গবেষনা।

সম্প্রতি তিনি এক গবেষনায় জাপানের আমন্ত্রণে গিয়ে জাপান সফর শেষ করে নিজ কর্মস্থল কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দায়িত্বে মনোনিবেশন করেছেন এবং ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেননা তিনি একাধারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,উপজেলা প্রশাসক,পৌর প্রশাসক হিসেবে কেন্দুয়া উপজেলার সামগ্রিক বিষয় দূরদর্শিতা,বিচক্ষণতার সাথে খেয়াল রাখতে হচ্ছে।

বহু প্রতিভার অধিকারী ড.ইমদাদুল হক তালুকদার বাস্তব জীবনে ভাবাগের চেয়ে নীতিবোধটাকেই সন্মান দিয়ে দেখেন। আমরা তার উত্তরোত্তর সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করি।