
চাষার ছেলে বিদ্যার চলে’
আসলো ফিরে গায়,
চশমা চোখে দারুণ মুখে
ডিসকো জুতা পায়।
ভাবে এমন ফেলে চরণ
ভেতরে বিদ্যা গেছে ঢুকে,
কথায় কথায় ঠোঁটের পাতায়
ইংরেজি তার মুখে।
চাষার সাথে একসাথে
তার মনে লাগে ভয়,
চাষার সাথে হাতে হাতে
তা কি করে হয়!
যায় দিন বললো সেদিন
তাহার বড় ভাই
বলে যেতে আয়রে ক্ষেতে
ধান কাটিতে যাই।
হয়ে কাবু বলছে বাবু
ছি ছি, ছি ছি, ছি
করিলে কাজ হবে লাজ
বলবে লোকে কি!
এক সাথে কাস্তে হাতে
কেমন করে লই,
বলছি এবার শুনো একবার
দাম থাকে আর কই!
ওই তো সেদিন হঠাৎ একদিন
বাজার করতে গিয়ে
সামনে মুসা’ ওরে চাষা
মর্যাদা মান নিয়ে।
বহুদিনে আঁখি নয়নে
সাথীর দেখা পেয়ে
মুসা তার বুকের ওপার
ধরল তারে যেয়ে।
মুসা ওরে কেঁদে ধরে
কেমন আছিস ভাই?
চল গিয়ে হাত মিলিয়ে
একটু চা পান খাই।
হাসি মুখে ধরে বুকে
ঐ টং দোকানে বসি
একসাথে মন করি স্বপ্লক্ষন
ঝগড়া হাসাহাসি।
বলে বাবু দোস্ত হাবু
তুই এখন যা,
বুঝিস না ভাই আমি কোথায়
আমার সাজে না।
এখন যে দোস্ত আছি ব্যাস্ত
বিদ্যা আমার ঘাড়ে
মুসা তর গায়ের কাপড়
বসতে পারি নারে।

রেজুয়ান হাসান জয়, নেত্রকোনা 








