, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আমতলীতে সন্ত্রাসী কর্তৃক ভোট কেন্দ্র দখল ও উদ্ধারে যৌথবাহিনীর মহড়া অনুষ্ঠিত আমতলিতে স্বপ্ন ছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের উদ্যোগে কাঠের সেতু নির্মাণ মাতৃভাষা এবং এর সার্থকতা প্রেমের আসল স্বাদ তাছলিমা আক্তার মুক্তা নির্বাচনি আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনের আওতায় নিয়ে আসার নির্দেশ -স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রাচীনতম বিদ্যাপীঠ নাসিরাবাদ কলেজিয়েট স্কুলের ১১৬ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ক্ষমতায় এলে সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে- মিজানুর রহমান  ক্ষমতায় এলে সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে- মিজানুর রহমান  কেন্দুয়া উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত  শাসক নয় সেবক হতে চাই  ত্রিশালের স্বতন্ত্রপ্রার্থী মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত 

Slotlarda kazanç oranları genellikle volatiliteye bağlıdır; bu veriler güncel casino siteleri tarafından paylaşılır.

Canlı karşılaşmalara yüksek oranlarla bahis yapmak için Bettilt kategorisi kullanılıyor.

কেন্দুয়ায় বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাংচুর, হাতাহাতির দায় স্বীকার অভিযুক্তদের

মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধিঃ

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হাতাহাতি ও ভাংচুর করেছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকরা। হাতাহাতির দায় স্বীকার অভিযুক্তদের।

২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১০ টার সময় নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার ৭নং মাসকা ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে জানা যায় দলীয় ও স্হানীয় সূত্রে।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান সুমন সাথে কথা বলে জানা যায়- তিনি বলেন- মাসকা ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতি একসাথেই করতাম, স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করে বলে দুইদিন আগে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু বকর সিদ্দিক বহিষ্কার হয় জানতে পেরে বহিষ্কার নেতার কাছে পাওনা টাকার তাগিদ দেই। এই টাকার বিষয় আমার ছোট ভাই রনি জানতে পেরে তার ফেইসবুকে স্ট্যাটাসে তাগিদ দেন, এই বিষয়টি জেনে সিদ্দিক এর ভাই ও আরও বেশ কয়েকজন আমাকে ফোন করে বলে, টাকা দুই এক দিনের মধ্যে দিয়ে দেবে, গতকাল রাত অনুমান ১০ ঘটিকায় কুকুমনি,জুয়েল, নজরুল, খায়রুলসহ কয়েকজন আমাদের ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আসে, এসে কিছু টাকা নিয়ে বাকবিতন্ডা ও মারামারি শুরু করে দিলে বাজার কমিটির সভাপতি লোকমান ভাই আমাদের সবাইকে ফিরিয়ে নেয় এবং চলে যেতে বলে। আমরা সকল নেতা কর্মী একটি নির্বাচনী মিটিংয়ে চলে যাই। কিছুক্ষন পর ৪০/৫০ জন তারা দলীয় কার্যালয় এসে আমাদের বাজার কমিটির সভাপতি লোকমান ও আমাকে না পেয়ে অফিসে টানানো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি কুপিয়ে টেবিলের ডয়ারের তালা ভেঙে ডয়ারের ভিতর থেকে ১২ লক্ষ ৬৫ হাজার সামথিং উপরে টাকা নিয়ে ও অফিসের শতাধিক চেয়ার ভেঙে চলে যায়। যাওয়ার পথে দলীয় কার্যালয়ে সামনে স্পষ্ট দেখতে পায় লোকমান, রনি ও শহিদুল্লাহ।

উপজেলা ওলামা দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শহিদুল্লাহ বলেন- অফিস ভাংচুর করে যাওয়ার সময় আমি জুয়েল ও কুকুমনি,খায়রুল, সিদ্দিকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দদের দেখতে পাই। ওরা লাঠিসোঁটা নিয়ে অফিস ভাংচুর করে ডয়ারে থাকা ১২টাকা নিয়ে যায়। এর তীব্র নিন্দা ও সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক অতি দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তারের জোর দাবী জানাই।

এছাড়াও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন খোকন, সদস্য মজনু রহমান খন্দকার, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খান শান্তি, উপজেলা ছাত্র দলের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন রাত ১০.৩০ ঘটনাটি শুনে কেন্দুয়া পৌর শহর থেকে ছুটে এসে দেখে প্রতিবাদ বিক্ষোভ সমাবেশ করে প্রতিবাদ এবং এই ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
বহিষ্কার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু বকর সিদ্দিক বলেন- বিএনপির সভাপতি সুমন আমার কাছে কিছু টাকা পাইত, সেই টাকা নিয়ে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে ছিল কুকুমনি, জুয়েল, নজরুল ও ছোট ভাই খায়রুল। গিয়ে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হয়ে হাতাহাতি হলে চলে আসে। অফিস ভাংচুর করেনি। আমি বাড়িতে ছিলাম।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান কুকুমনি বলেন- মাসকা ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আমরা কয়েকজন গিয়ে ছিলাম রাত ১০টার সময় মাসকা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক এর সাথে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান সুমন এর একটা টাকা বিষয় লেনদেন ছিল, সেই টাকা দিয়ে মিটমাট করার চেষ্টা করে ছিলাম, জুয়েল এর সাথে সুমনের কথা কাটাকাটি হয়ে হাতাহাতি হয়। এরপর আমি তাদের নিয়ে আসি, একটু পরে অফিস ভাংচুর হয় শুনেছি।

অভিযুক্ত জুয়েল বলেন- বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে সুমন ও রনির সাথে কথার কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। কিন্তু অফিস ভাংচুর করিনি।

এ ঘটনায় কেন্দুয়া থানা পুলিশ ও অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ বলেন- মাসকা বিএনপির অফিস ভাংচুরের ঘটনায় রাতেই জেনে আমাদের ফোর্সদের পাঠিয়েছিলাম, তারা ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে এখনও কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এই ঘটনার নেত্রকোনা৩ কেন্দুয়া- আটপাড়া আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডক্টর রফিকুল ইসলাম হিলালী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- আমি এই ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানাচ্ছি। এরা দলের শত্রু,দেশের শত্রু। বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন- আপনারা ধৈর্য্য ধরুন, শান্ত থাকুন। কেউ কারোর সাথে খারাপ আচরণ বা প্রতিহিংসা করবেন না। আল্লাহ সহায় থাকলে ধানেরশীষের বিজয় কেউ আটকাতে পারবেনা।

জনপ্রিয়

আমতলীতে সন্ত্রাসী কর্তৃক ভোট কেন্দ্র দখল ও উদ্ধারে যৌথবাহিনীর মহড়া অনুষ্ঠিত

কেন্দুয়ায় বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাংচুর, হাতাহাতির দায় স্বীকার অভিযুক্তদের

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধিঃ

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হাতাহাতি ও ভাংচুর করেছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকরা। হাতাহাতির দায় স্বীকার অভিযুক্তদের।

২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১০ টার সময় নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার ৭নং মাসকা ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে জানা যায় দলীয় ও স্হানীয় সূত্রে।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান সুমন সাথে কথা বলে জানা যায়- তিনি বলেন- মাসকা ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতি একসাথেই করতাম, স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করে বলে দুইদিন আগে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু বকর সিদ্দিক বহিষ্কার হয় জানতে পেরে বহিষ্কার নেতার কাছে পাওনা টাকার তাগিদ দেই। এই টাকার বিষয় আমার ছোট ভাই রনি জানতে পেরে তার ফেইসবুকে স্ট্যাটাসে তাগিদ দেন, এই বিষয়টি জেনে সিদ্দিক এর ভাই ও আরও বেশ কয়েকজন আমাকে ফোন করে বলে, টাকা দুই এক দিনের মধ্যে দিয়ে দেবে, গতকাল রাত অনুমান ১০ ঘটিকায় কুকুমনি,জুয়েল, নজরুল, খায়রুলসহ কয়েকজন আমাদের ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আসে, এসে কিছু টাকা নিয়ে বাকবিতন্ডা ও মারামারি শুরু করে দিলে বাজার কমিটির সভাপতি লোকমান ভাই আমাদের সবাইকে ফিরিয়ে নেয় এবং চলে যেতে বলে। আমরা সকল নেতা কর্মী একটি নির্বাচনী মিটিংয়ে চলে যাই। কিছুক্ষন পর ৪০/৫০ জন তারা দলীয় কার্যালয় এসে আমাদের বাজার কমিটির সভাপতি লোকমান ও আমাকে না পেয়ে অফিসে টানানো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি কুপিয়ে টেবিলের ডয়ারের তালা ভেঙে ডয়ারের ভিতর থেকে ১২ লক্ষ ৬৫ হাজার সামথিং উপরে টাকা নিয়ে ও অফিসের শতাধিক চেয়ার ভেঙে চলে যায়। যাওয়ার পথে দলীয় কার্যালয়ে সামনে স্পষ্ট দেখতে পায় লোকমান, রনি ও শহিদুল্লাহ।

উপজেলা ওলামা দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শহিদুল্লাহ বলেন- অফিস ভাংচুর করে যাওয়ার সময় আমি জুয়েল ও কুকুমনি,খায়রুল, সিদ্দিকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দদের দেখতে পাই। ওরা লাঠিসোঁটা নিয়ে অফিস ভাংচুর করে ডয়ারে থাকা ১২টাকা নিয়ে যায়। এর তীব্র নিন্দা ও সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক অতি দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তারের জোর দাবী জানাই।

এছাড়াও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন খোকন, সদস্য মজনু রহমান খন্দকার, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খান শান্তি, উপজেলা ছাত্র দলের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন রাত ১০.৩০ ঘটনাটি শুনে কেন্দুয়া পৌর শহর থেকে ছুটে এসে দেখে প্রতিবাদ বিক্ষোভ সমাবেশ করে প্রতিবাদ এবং এই ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
বহিষ্কার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু বকর সিদ্দিক বলেন- বিএনপির সভাপতি সুমন আমার কাছে কিছু টাকা পাইত, সেই টাকা নিয়ে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে ছিল কুকুমনি, জুয়েল, নজরুল ও ছোট ভাই খায়রুল। গিয়ে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হয়ে হাতাহাতি হলে চলে আসে। অফিস ভাংচুর করেনি। আমি বাড়িতে ছিলাম।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান কুকুমনি বলেন- মাসকা ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আমরা কয়েকজন গিয়ে ছিলাম রাত ১০টার সময় মাসকা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক এর সাথে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান সুমন এর একটা টাকা বিষয় লেনদেন ছিল, সেই টাকা দিয়ে মিটমাট করার চেষ্টা করে ছিলাম, জুয়েল এর সাথে সুমনের কথা কাটাকাটি হয়ে হাতাহাতি হয়। এরপর আমি তাদের নিয়ে আসি, একটু পরে অফিস ভাংচুর হয় শুনেছি।

অভিযুক্ত জুয়েল বলেন- বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে সুমন ও রনির সাথে কথার কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। কিন্তু অফিস ভাংচুর করিনি।

এ ঘটনায় কেন্দুয়া থানা পুলিশ ও অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ বলেন- মাসকা বিএনপির অফিস ভাংচুরের ঘটনায় রাতেই জেনে আমাদের ফোর্সদের পাঠিয়েছিলাম, তারা ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে এখনও কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এই ঘটনার নেত্রকোনা৩ কেন্দুয়া- আটপাড়া আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডক্টর রফিকুল ইসলাম হিলালী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- আমি এই ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানাচ্ছি। এরা দলের শত্রু,দেশের শত্রু। বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন- আপনারা ধৈর্য্য ধরুন, শান্ত থাকুন। কেউ কারোর সাথে খারাপ আচরণ বা প্রতিহিংসা করবেন না। আল্লাহ সহায় থাকলে ধানেরশীষের বিজয় কেউ আটকাতে পারবেনা।